মূলঃ আবূ মুবাশশির আহমাদ বিন আব্দুত তাওয়াব আনসারী (আহমাদুল্লাহ সৈয়দপুরী)  ভূমিকা সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ্র জন্য। যিনি বিশ্ব জগতের প্রতিপালক। অগণিত দরূদ ও সালাম বর্ষিত হোক তাঁর প্রিয় হাবীব মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর উপর। কতিপয় আলেম বিভিন্ন অগ্রহণযোগ্য বর্ণনা দ্বারা নারী-পুরুষের সালাতে পদ্ধতিগত কিছু পার্থক্য নিরূপণের চেষ্টা করেন। যেমন বঙ্গানুবাদ ‘বেহেশতী জেওর’ গ্রন্থে ১১টি পার্থক্য উল্লেখ […]

আরও পড়ুন →

মূলঃ আব্দুর রাহমান বিন ইয়াহিয়া আল মু’আল্লিমী ডাউনলোড করে পড়ুন ভাষান্তরঃ আবু হিশাম মুহাম্মাদ ফুয়াদ     পাঠপূর্ব সতর্কীকরণ: এই লেখাটির অনুবাদ পরিবেশন করার দ্বারা জনমনে বিদ্বেষ সৃষ্টি করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়। ইতিহাসের অলি-গলিতে চাপা পড়ে থাকা এই ইতিহাস সামনে নিয়ে আসার পিছনে আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য হচ্ছে এ দ্বারা আমাদের সামাজিক ও মাযহাবি নানা গোঁড়ামির পিছনে […]

আরও পড়ুন →

মূলঃ আব্দুল্লাহ মাহমূদ বিন শামসুল হক্ব ভাষাগত সম্পাদনাঃ মুহাম্মাদ মাহিন আলম     সাহাবী ওয়ায়েল বিন হুজর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, قلت لأنظرن إلى صلاة رسول الله صلى الله عليه وسلم كيف يصلي، فنظرت إليه فقام فكبر، ورفع يديه حتى حاذتا بأذنيه، ثم وضع يده اليمنى على كفه اليسرى والرسغ والساعد، فلما أراد أن يركع رفع يديه […]

আরও পড়ুন →

মূলঃ যুবাঈর আলী যাঈ অনুবাদঃ আবু হিশাম মুহাম্মাদ ফুয়াদ বারী তায়ালা ইরশাদ করেন, “এবং আমরা প্রত্যেক উম্মতের মাঝে রাসূল প্রেরণ করেছি যেন তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাগূত থেকে বেঁচে থাকো।” [1] আমাদের প্রিয় সাইয়্যেদুনা মুহাম্মাদ রাসুলুল্লাহ (সা) যখন সাইয়্যেদুনা মুয়ায বিন জাবাল (রা) কে ইয়ামান পাঠালেন তখন তিনি তাঁকে বললেন, “তুমি তাদের সর্বপ্রথম আল্লাহর একত্ববাদের […]

আরও পড়ুন →

মূলঃ যুবাঈর আলী যাঈ অনুবাদঃ আবু হিশাম মুহাম্মাদ ফুয়াদ    নাবি কারিম ﷺ বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা আমাকে কষ্ট দানকারী ও কঠোরতা প্রয়োগকারী হিসেবে প্রেরন করেন নি বরং আমাকে কোমলতা প্রদর্শনকারী (উত্তম) শিক্ষক হিসেবে প্রেরন করেছেন।” [1] সাইয়্যেদুনা মুয়াবিয়া (রা.) একদা হঠাৎ সালাতের মাঝে (না জানার কারণে) দুনিয়াবী কথা বলে ফেলেন! তারপর কি হল? মুয়াবিয়া (রা.) […]

আরও পড়ুন →

মূলঃ আবূ মুহাম্মাদ ‘আলী ইবন আহমাদ ইবন সা’য়িদ ইবন হাযম অনুবাদঃ আবূ হাযম মুহাম্মাদ সাকিব চৌধুরী বিন শামস আদ দীন আশ শাতকানী সম্পাদনাঃ মুহাম্মাদ মাহিন আলম   মাস’আলাহঃ এক উদহিয়্যাহ বা ক্বুরবানীতে শরীক করা জায়েয, সেই শরীক জামআত যে পরিমাণই হোক না কেন, হোক তা একই পরিবারের অথবা অন্যেরা (একাধিক পরিবারের)। আর কারো জন্য এটি জায়েয, […]

আরও পড়ুন →

  মূলঃ ডঃ আব্দুল্লাহ বিন সালেহ আল বাররাক। অনুবাদঃ আবু হাযম মুহাম্মাদ সাকিব চৌধুরী বিন শামস আদ দীন আশ শাতকানী     আস সুন্নাহ বইয়ের সানাদ লেখকঃ তিনি আবু আব্দির রাহমান আব্দুল্লাহ বিন আহমাদ বিন মুহাম্মাদ বিন হানবাল আশ শাইবানী আল বাগদাদী। তাঁর কাছে তাঁর বাবা অনেক কিছু বর্ণনা করেছেন। ইবনুল মুনাদী বলেনঃ আমরা সব সময় […]

আরও পড়ুন →

গ্রন্থঃ আস সা’ইয়ী আল হাথীথ ইলা ফিকহি আহলিল হাদীথ লেখকঃ ডঃ মুহাম্মাদ লুকমান সালাফি অনুবাদ ও সংকলন ও টীকাঃ আবু হাযম মুহাম্মাদ সাকিব চৌধুরী বিন শামস আদ দীন আশ শাতকানী   এ বিষয়ে কোন খিলাফ নেই যে গর্ভবতীর জন্যে রোজা ভাঙা জায়েয যদি গর্ভবতী তার ভ্রূণের জন্যে ভয় করে। অথবা শিশুকে দুধ পান করান এমন নারীর যদি […]

আরও পড়ুন →

মূলঃ আবু মুহাম্মাদ ‘আলী ইবন আহমাদ ইবন সা’য়িদ ইবন হাযম অনুবাদঃ আবু হাযম মুহাম্মাদ সাকিব চৌধুরী বিন শামস আদ দীন আশ শাতকানী বিষয়ঃ গর্ভবতী, দুধ পান করানো নারী, বৃদ্ধ ব্যক্তি এদের সকলকে সাওম রাখবার ব্যপারে বলা হয়েছে। সুতরাং রামাদানের সাওম তাদের জন্যে ফারদ। যদি দুধ পান করানো নারী দুধ কমে যাওয়ার ভয় পায় আর এ কারণে সে […]

আরও পড়ুন →

গ্রন্থঃ ফাতহুল ‘আল্লাম ফি দিরাসাতি আহাদিথি বুলুঘিল মারাম লেখকঃ আবু ‘আব্দিল্লাহ মুহাম্মাদ বিন ‘আলী বিন হিযাম আল ফাদলী আল বা’দানী অনুবাদঃ আবু হাযম মুহাম্মাদ সাকিব চৌধুরী বিন শামস আদ দীন আশ শাতকানী     বিষয়ঃ যদি কোন এক দেশের লোকেরা চাঁদ দেখতে পায়, তবে সে ক্ষেত্রে বাকি সকল দেশের উপর রোজা রাখা কি ফরজ হবে? […]

আরও পড়ুন →