মূল বইঃ শাইখ মুকবিল বিন হাদী আল ওয়াদি’ইয়ি
অনুবাদঃ আবু হাযম মুহাম্মাদ সাকিব চৌধুরী বিন শামস আদ দীন আশ শাতকানী।

প্রশ্নঃ যদি কোন নারী তার বাড়িতেই অবস্থান করে, এবং সেখানে অবস্থান করাই উত্তম মনে করে আর তাই সে এমনকি মসজিদেও যায় না, এটা কি ভালো? নাকি এ নারী ভালো যে জ্ঞান অন্বেষণ করে এবং মাসজিদে যেতে চায়?

শাইখ মুকবিল বিন হাদী আল ওয়াদি’ইয়িঃ যে নারী তার ঘরে থাকে, আর তার ঘরে জ্ঞানার্জন করাই ভালো, কেননা নবী ﷺ বলেছেন,

لا تمنعوا إماء الله مساجد الله, بيوتهن خير لهن

তোমরা আল্লাহর দাসীদের আল্লাহর মাসজিদে যেতে বারণ কর না, (কিন্তু) তাদের বাড়ি তাদের জন্যে উত্তম। (আবু দাউদ ৫৬৭)

প্রশ্নঃ সে নারীর উপর ইসলামের হুকুম কি যার জন্যে বাড়িতে জ্ঞান অন্বেষণের সকল শর্ত পূর্ণ হয়েছে, কিন্তু এ সত্ত্বেও সে মাসজিদের জন্যে বাড়ি হতে বাহির হয়, আল্লাহর পথে তার অন্য বোনদের সাথে দেখা করবার জন্যে, অথবা তার কাছে যা জ্ঞান রয়েছে তা বিতরণ করতে?

শাইখ মুকবিল বিন হাদী আল ওয়াদি’ইয়িঃ সে যদি মাসজিদের উদ্দেশ্যে বাহির হয়, আর সে তার নিজেকে ফিতনা হতে সংরক্ষণ করবে, আর সে তার ধারেকাছের পুরুষদেরকে ফিতনা থেকে সংরক্ষণ করবে, তবে তাতে কোন সমস্যা নেই। সে ক্ষেত্রে এটি ভালো কাজ। আর যদি নারীরা তার নিকট আসে তার বাড়িতে, সেটি তার জন্যে অধিকতর নিরাপদ। যাই হোক একটি বড় ওয়াজিব রয়েছে, অর্থাৎঃ যার উপর উত্তম সালেহ নারীরা কায়েম থাকে, এই দায়িত্বভার অত্যন্ত বড়। কেননা তা নারীদের পারস্পরিক সংমিশ্রণে দ্বারা বিশাল ফ্যাসাদ ইসলামিক জমায়েতে প্রবেশ করেছে, এর পর ইসলামের শত্রুরা তাদের দাওয়াত দিয়েছে তাবাররুজ (নিজের রূপ যাহির করবার জন্যে সাজগোজ), নিজেকে যাহির করবার জন্যে আস সুফুর (অধিক জামা কাপড়) এর দিকে দাওয়াত দিয়েছে এবং অগ্রসর হয়েছে এ ব্যতীত অন্যান্য বিষয়ে।

আমাদের জমায়েতে ভয়াবহ খারাপ কিছু প্রবেশ করেছে নারীদের অংশ গ্রহনের দ্বারা, আর সোমালিয়াতে উলামাদের নারী ব্যতীত আর কোন কারণ ধ্বংস করেনি। ঠিক এভাবেই সানা’আ (ইয়েমেনের রাজধানী) রিয়াদ, আর এমনি আরও অনেক স্থান রয়েছে যেখানে তারা বাহিরে গিয়েছে ইসলামের শত্রুদের পক্ষে সমর্থনে মুযাহারাত (মিছিল-জমায়েত) এর উদ্দেশ্যে। আর বিদ’আতীদের মুযাহারাত যেখানে তা নারী এবং পুরুষের জন্যে, আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করেছি الإلحاد الخميني في ارض الحرمين বইয়ে।

সুতরাং অত্যন্ত গুরুত্ব এবং ইজতিহাদের সাথে, আমি আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করি যেন তিনি তোমাদের তাওফিক দান করেন আর যেন তিনি ইসলাম এবং মুসলিমদের কল্যাণ করেন তোমাদের মাধ্যমে।